ঐতিহ্যের শিকড়ে,ঐক্যের বন্ধনে
বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, ঢাকা
বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, ঢাকা একটি অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন, যা নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন ও কল্যাণে নিবেদিত। শিক্ষা, টেকসই উন্নয়ন, ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং মানবিক সহায়তার মাধ্যমে আমরা একটি সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় সমাজ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
১১৪+
বছরের পথচলা
৩
জেলা
বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি কেবল একটি সংগঠন নয়; এটি আমাদের একটি পরিবার, যেখানে প্রবীণদের অভিজ্ঞতা, তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা এবং শিশুদের স্বপ্ন সমানভাবে মূল্যবান।
প্রিয় বৃহত্তর নোয়াখালীবাসী, আসসালামু আলাইকুম। এক শতাব্দীরও অধিক ঐতিহ্য বহনকারী আমাদের এই সংগঠনের ইতিহাস গৌরবোজ্জ্বল। ১৯১২ সালে কলকাতায় “নোয়াখালী মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন” প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে যে যাত্রার সূচনা, তা আজ নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের মানুষের ঐক্যের প্রতীক হিসেবে “বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, ঢাকা” নামে বিকশিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আমরা শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিক সেবা এবং নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব বিকাশের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী, প্রগতিশীল ও মূল্যবোধনির্ভর কমিউনিটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আসুন, আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে শক্তিতে এবং ঐক্যকে প্রেরণায় রূপান্তরিত করে একটি মানবিক ও সংহত বৃহত্তর নোয়াখালী গড়ে তুলি — আপনার সহযোগিতা ও শুভকামনাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
মোঃ আনোয়ার হোসেন
সভাপতি, বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, ঢাকা
এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, ঢাকা আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক গৌরবময় ধারক। ১৯১২ সালে কলকাতায় যে দূরদর্শী উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল, আজ তা নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের মানুষের একটি শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক বন্ধনে পরিণত হয়েছে। এই ঐতিহ্যের অংশ হতে পারা আমাদের জন্য গর্বের।
আজ আমরা ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। *'শতবর্ষ উত্তরাধিকার প্রকল্প (Centenary Legacy Project)'* শুধু একটি ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নয়; এটি আগামী শতাব্দীর জন্য সমিতির প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তিকে সুদৃঢ় করার এক ঐতিহাসিক অঙ্গীকার। আমাদের পূর্বসূরিদের দূরদর্শিতায় অর্জিত নিজস্ব জমিতে একটি আধুনিক, বহুমুখী ও যুগোপযোগী ভবন নির্মাণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতার প্রতীক।
আমি দেশ-বিদেশে অবস্থানরত বৃহত্তর নোয়াখালীর সকল শুভানুধ্যায়ী ও শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাই, আসুন আমরা সবাই এই ঐতিহাসিক উদ্যোগের অংশীদার হই।
আসুন, আমরা শুধু একটি ভবন নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্থায়ী উত্তরাধিকার নির্মাণ করি।
মোঃ মিজানুর রহমান
সেক্রেটারী জেনারেল বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, ঢাকা
আমাদের সম্পর্কে
১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, ঢাকা বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী আঞ্চলিক সামাজিক সংগঠন। নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলার মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করাই এ সংগঠনের মূল লক্ষ্য। শতবর্ষেরও বেশি সময় ধরে সমিতি শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজকল্যাণ, মানবিক সহায়তা, মেধা বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে শতবর্ষ উত্তরাধিকার প্রকল্প (Centenary Legacy Project)-এর আওতায় নিজস্ব জমিতে একটি আধুনিক বহুমুখী ভবন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঐতিহ্য, জ্ঞান, উদ্ভাবন ও সামাজিক নেতৃত্বের একটি স্থায়ী কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।
ঐক্য
একই বন্ধনে যুক্ত করা
সেবা
নিঃস্বার্থ মানবসেবায় নিবেদিত
উন্নয়ন
সার্বিক অগ্রগতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
নেতৃত্ব
দক্ষ নেতৃত্ব তৈরিতে সক্রিয়
আমাদের সম্পর্কে
১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, ঢাকা বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী আঞ্চলিক সামাজিক সংগঠন। নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলার মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করাই এ সংগঠনের মূল লক্ষ্য। শতবর্ষেরও বেশি সময় ধরে সমিতি শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজকল্যাণ, মানবিক সহায়তা, মেধা বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে শতবর্ষ উত্তরাধিকার প্রকল্প (Centenary Legacy Project)-এর আওতায় নিজস্ব জমিতে একটি আধুনিক বহুমুখী ভবন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঐতিহ্য, জ্ঞান, উদ্ভাবন ও সামাজিক নেতৃত্বের একটি স্থায়ী কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।
ঐক্য
একই বন্ধনে যুক্ত করা
সেবা
নিঃস্বার্থ মানবসেবায় নিবেদিত
উন্নয়ন
সার্বিক অগ্রগতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
নেতৃত্ব
দক্ষ নেতৃত্ব তৈরিতে সক্রিয়
আমাদের দর্শন
একটি ঐক্যবদ্ধ, সমৃদ্ধ, জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক বৃহত্তর নোয়াখালী গড়ে তোলা, যেখানে সকল প্রজন্ম, পেশা ও শ্রেণির মানুষ উন্নয়ন, সহযোগিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমে শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তুলবে।
আমাদের লক্ষ্য
- নোয়াখালীর জনগণের মধ্যে সামাজিক সংহতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা
- শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং নেতৃত্ব বিকাশে সহায়তা প্রদান
- দরিদ্র, অসহায় ও দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো
- ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রচার করা
- দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত নোয়াখালীবাসীদের মধ্যে কার্যকর নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা
- জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বৃহত্তর নোয়াখালীর মানুষের অংশগ্রহণ
আমাদের উদ্যোগসমূহ
০১
সামাজিক সংহতি ও সমাজ উন্নয়ন
প্রজন্ম ও প্রতিবেশীর মাঝে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করা।
০২
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে যোগ্যতা, যুগোপযোগী দক্ষতা ও সক্ষমতা গড়ে তোলা।
০৩
যুব নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়ন
তরুণদের সমাজ পরিবর্তনের সক্ষম ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তোলা।
০৪
মানবিক সহায়তা ও সমাজকল্যাণ
দুর্যোগ, সংকট ও মানবিক প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
০৫
সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ
ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা।
০৬
অর্থনৈতিক ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন
স্থানীয় অর্থনীতি ও ব্যবসার মাধ্যমে টেকসই সমৃদ্ধি অর্জন।
০৭
জাতীয় উন্নয়নে অবদান
জাতীয় পর্যায়ে ইতিবাচক অবদানকে আরও দৃশ্যমান করা
০৮
বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক ও প্রবাসী সম্পৃক্ততা
স্থানীয় অর্থনীতি ও ব্যবসার মাধ্যমে টেকসই সমৃদ্ধি অর্জন।
সাম্প্রতিক সংবাদ
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি (BNS) কী?
বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, ঢাকা (BNS) ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি ঐতিহ্যবাহী সামাজিক ও কল্যাণমূলক সংগঠন। এটি নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলার মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি, সহযোগিতা এবং সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে।
সমিতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী?
সমাজকল্যাণ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিক সহায়তা, মেধা বিকাশ, যুব নেতৃত্ব উন্নয়ন, সামাজিক সংহতি এবং বৃহত্তর নোয়াখালীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ সমিতির প্রধান লক্ষ্য।
সমিতির কার্যক্রম সম্পর্কে কীভাবে জানতে পারব?
ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ, ই-মেইল নিউজলেটার এবং সমিতির নিয়মিত প্রকাশনার মাধ্যমে সর্বশেষ কার্যক্রম, অনুষ্ঠান ও বিজ্ঞপ্তি জানা যাবে।
শতবর্ষ উত্তরাধিকার প্রকল্প (Centenary Legacy Project) কী?
Centenary Legacy Project হলো সমিতির শতবর্ষের উত্তরাধিকার সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ। এর আওতায় সমিতির নিজস্ব জমিতে একটি আধুনিক বহুমুখী ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।
নতুন ভবনের বিশেষত্ব কী হবে?
নতুন ভবনে আধুনিক সম্মেলন কক্ষ, গ্রন্থাগার, ডিজিটাল আর্কাইভ, প্রশিক্ষণ সুবিধা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের স্থান, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার পরিবেশ এবং সদস্যদের জন্য বহুমুখী সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আমি কীভাবে ভবন নির্মাণ প্রকল্পে অবদান রাখতে পারি?
আপনি আর্থিক অনুদান, করপোরেট পৃষ্ঠপোষকতা, এন্ডাওমেন্ট, স্মারক অনুদান অথবা অন্যান্য সহযোগিতার মাধ্যমে Centenary Legacy Project-এ অংশগ্রহণ করতে পারেন। বিস্তারিত তথ্য “অনুদান”বিভাগে পাওয়া যাবে।
এক অঞ্চল, এক ভাষা, এক পরিচয়, এক ভবিষ্যৎ
বৃহত্তর নোয়াখালীর গর্বিত সদস্য হোন। একসাথে আমরা গড়ে তুলব আমাদের স্বপ্নের ভবিষ্যৎ।